কাঠবিড়ালী (২০১৯) রোমান্টিক বাংলা মুভি রিভিউ


# হালকা_Spolior
🎬 Movie_Name : কাঠবিড়ালী
📁 প্রযোজনা_প্রতিষ্ঠান :
📁 IMDB_rating : 7.1/10
📁 personal_rating : 7.5

# গল্প: গ্রামের সহজ-সরল ও দূরন্ত যুবক হাসু। গ্রামের চিরচেনা সবুজ প্রকৃতির বুকে বেড়ে ওঠা হাসুর জীবন দর্শন অনেক টা প্রকৃতির মতোই সরল অকৃত্রিম। এবং হাসুর জীবন গুরুত্বপূর্ণ মানুষ বলতে রয়েছে দুজন। একজন তার ভালোবাসার মানুষ ‘কাজল’ ও আরেক জন তার ছোট্ট বেলার বন্ধু ‘আনিস’। একসময় হাসু ও কাজলের প্রেম পূর্ণতা পায়। এবং শুরু হয় দু’জনের মধুর সংসার। কিন্তু জীবনটাকে হাসু যতটা সহজ ভাবে দেখে জীবনটা কি ততটাই সহজ? অভাব অনাটন হিংসা ও লোভ-লালসা মত জীবন সংসারে হাসুর এই সহজ-সরল রোমান্টিক জীবন ধারা আর কতক্ষণ ই বা টিকে থাকবে? জানতে হলে আপনাকে দেখাতে হবে এই অসাধারণ রোমান্স, রহস্য আর চমকে ভরা ‘কাঠবিড়ালী’ সিনেমাটি।

# নির্দেশনায়: সিনেমা টির পরিচালনায় ছিলেন নিয়ামুল হাসান মুক্তা এবং ‘কাঠবিড়ালী’ ই হচ্ছে নিয়ামুল এর পরিচালনায় প্রথম সিনেমা। এবং প্রথম সিনেমা তেই তিনি তার পরিচালনায় মেধার দারুণ ছাপ রেখে গেছেন। সিনেমায় তার কাজ ছিলো সত্যি ই প্রসংশনীয়। নিয়ামুল মূলত বাংলাদেশের ছয়টি ঋতুর প্রকৃতিক সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে চেয়েছিলেন। এবং এক্ষেত্রে তিনি বেশ সফলই হয়েছেন বটে। এছাড়া তিনি এর আগে আমাদের দেশের জনপ্রিয় নির্মাতা ‘রেদওয়ান রনি’র সহকারী হিসেবে কাজ করেছেন।

# সিনেমার: ইতিবাচক দিক : ‘কাঠবিড়ালী’ সিনেমার গল্প ও চিত্রনাট্যই হচ্ছে এর সবচেয়ে বড় ইতিবাচক দিক। আর থ্রিলার ঘরানার সিনেমার রিভিউ দেওয়া টা বেশ মুসকিল। কেননা রিভিউ তে একটু কথার এদিক ওদিক হলেই সিনেমার গুরুত্বপূর্ণ প্লট টুইস্ট স্পয়লার হয়ে যাবে। তার গোটা সিনেমা দেখার মজাটা নষ্ট হয়ে যাবে। তাই চাইলেও সিনেমা অনেক ইতিবাচক দিক গুলোই ভালো ভাবে বলতে পারছি না।

# চূড়ান্ত_রায়: বেশি কথা না বলে শুধু একটা কথা বলব কাঠবিড়ালী সিনেমার গল্পের মূল বিষয় টি বাংলাদেশী সিনেমার প্রক্ষাপটে একেবারে আনকোরা নতুন একটা ভাবনা ছিলো। মানুষের শারীরিক মানসিক ও দৈহিক চাহিদা ও জটিলতার মতো সেনসিটিভ বিষয় কে যেভাবে নান্দনিক ও সাহসীকতার সাথে এই সিনেমায় দেখিয়েছেন নবাগত পরিচালক। তা আমি বাংলাদেশী সিনেমার এর আগে কোনদিন দেখিনি।

# অভিনয়: কাঠবিড়ালী সিনেমায় মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন অর্চিটা স্পর্শিয়া, আসাদুজ্জামান আবির এছাড়াও বাকিদের অভিনয় ভালোই ছিলো

# মিউজিক: আর শেষ এই সিনেমার মিউজিক নিয়ে একটু আলাদা ভাবে কথা না বললেই নয়। মুভিটিতে ইমন চৌধুরীর সংগীত পরিচালনায় সিনেমায় ব্যবহৃত তিনটি গানই♬ ছিলো অসম্ভব শ্রুতিমধুর। এগুলো ভিতর ‘পতি’ ও ‘সুন্দর কন্যা’ এই দুটো গান আমার কাছে সবচেয়ে ভালে লেগেছে।

Post Author: Sagour Mohanto

Post a Comment

0 Comments